জানিনা কখন ভালবেসেছি তোকে পর্ব-3

বিয়ের ব্যাপারে উনারা মেঘার কাছে মেঘার মতামত জানতে চাই। অন্য সময় হলে মেঘা কখানোই রাজি হত না। কিন্তু এখন‌ মেঘা কোন আপত্তি করেনি। মেঘা ওর বাবা মা কে বলে "তোমাদের যা ভাল মনে হয় তাই কর"। মেঘার বাবা মা দুই দিনের মধ্যেই ওর বিয়ে ঠিক করে ফেলে। বিয়ে ঠিক করে উনারা মেঘাকে পাত্রের ছবি দেখতে বলে। কিন্তু মেঘা পাত্রের ছবিটা পর্যন্ত না দেখেই বিয়েতে মত দিয়ে দেয়। মেঘার বাবা মা ওর এনগেইজমেন্টের দিন পর্যন্ত ঠিক করে ফেলে। অন্য দিকে রাজ মেঘার জন্য অস্তির হয়ে পড়েছে। মেঘা অনেক দিন ধরে কলেজে আসছে না। ফোন দিলে ফোন ধরছে না। একশবার ফোন দিলে যদি একবার ফোন ধরেঅ ভালভাবে কথা বলে না। মেঘাকে ছাড়া রাজের যেন কিছুই ভাল লাগছে না। রাজ প্রায় খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। কলেজে আসছে শুধু মেঘা এসেছে কিনা দেখার জন্য। রাজ কারো সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলছে না। এমন কি রিয়ার সঙ্গেও ঠিকভাবে কথা বলছে না। সারাক্ষন হয়ত মেঘা কে ফোন করছে, না হলে এক দৃষ্টিতে কলেজের গেইটের দিকে তাকিয়ে আছে। যদি মেঘা কলেজে আসে শুধু সে আশায়। রাজের অবস্থা প্রায় পাগলের মত হয়ে গেছে। রিয়া এগুলো খেয়াল করছে। রিয়া রাজের অবস্থা দেখে রাজ কে বলল, "এরকম পাগলামি না করে তোমিত মেঘার বাড়িতে গিয়ে মেঘার খোজ নিতে পাড়"। রাজ বলল " রিয়া ঠিক কথা বলেছ, টেনশনে এ কথাটা মাথা‌ থেকে বেরিয়েই গিয়েছিল।অবশ্য রাজের মাথার আর কি দোষ। ও মেঘাকে নিয়ে যা টেনশন করছে মাথাই‌ কিছু না থাকারই কথা। রাজ রিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাথে সাথেই মেঘার বাড়ির দিকে রওনা দিল। রাজ মেঘার বাড়িতে গিয়ে মেঘাকে রকেটের স্প্রিডে বকতে শুরু করল। কেন এতদিন কলেজে আসছে না,কেন ওর ফোন‌ ধরছেনা, কেন ওকে‌ এত টেনশন দিয়েছে, মেঘা কি মহারানি হয়ে গেছে নাকি এই সব কিছু নিয়ে। অন্য সময় হলে মেঘা ওর সাথে সমান তালে ঝগড়া করত। কিন্তু এখন রাজের এতগুলো কথার সাথে একটা কথারও জবাব দেয়নি। রাজ বলছে আর মেঘা শুধু চুপ করে মাথা নিচু করে শুনছে। এমন সময় মেঘার মা এসে রাজ কে মেঘার বিয়ের কথা জানায়

আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এর আগের ও পরের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে। এবং  এরকম আরো পোষ্ট পড়তে চাইলে ঘুরে আসুন আমার ব্লগ swarnaliirinsathi.blogspot.com- এ।

অথবা  swarnaliirinsathi.wordpress.com-এ

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অফুরন্ত ভালবাসা পর্ব-2

ভাই আর বোন

আসছে দেব-রুক্মিনীর নতুন ছবি "কিডন্যাপ"