অফুরন্ত ভালবাসা পর্ব-2
আবির আর প্রিয়া ওদের দুজনের বাবাই খুব ধনী ব্যবসায়ী। আর ওরা দুজনেই ওদের বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। একদিন প্রিয়ার বাবা আবির আর প্রিয়াকে একসাথে রাস্তায় দেখে ফেলে। এবং বাড়ি ফিরার পর উনি প্রিয়াকে এই বিষয়ে জিঙ্গাসা করেন। প্রিয়া ওর বাবা মাকে আবির এর সাথে ওর সম্পর্কের কথা জানাই। প্রিয়ার বাবা মা সব শুনে আবির এর বাবা মায়ের সাথে দেখা করতে চাই। প্রিয়া আবিরকে সে কথা জানাই। তাই আবির ওর বাবা মাকে প্রিয়ার সাথে ওর সম্পর্কের কথা বলে। এবং তাদের জানাই যে প্রিয়ার বাবা মা তাদের সাথে দেখা করতে চান। আবির এর বাবা মাও খুশি মনে রাজি হয় প্রিয়ার বাবা মায়ের সাথে দেখা করতে। তারপর একদিন আবির তার বাবা মাকে নিয়ে প্রিয়ার বাড়িতে যায়। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আবির আর প্রিয়া দুজনেই খুব খুশি। ওদের বাবা মায়েরাও ভীষণ খুশি ছিল। কিন্তু আবির এর বাবা আর প্রিয়ার বাবা একজন আরেকজনকে দেখে খুব রেগে যাই। এবং আবিরের বাবা আবির এবং ওর মাকে নিয়ে চলে আসে। আবির আর প্রিয়া দুজনেই খুব অবাক হয়ে যাই। ওরা কেউ বুঝতে পারছে না কেন ওদের দুজনের বাবা একজন আরেকজন কে দেখে এইভাবে রেগে গেল। বাড়ি ফিরে আবিরের বাবা আবিরকে জানান যে প্রিয়ার বাবার সাথে উনার বহু বছরের ব্যবসায়িক শত্রুতা রয়েছে। তারা একজন আরেকজন এর সাথে কথা বলা তো দূরের কথা একজন আরেকজন এর মুখ পর্যন্ত দেখে না। তাই আবিরের সাথে প্রিয়ার বিয়ে হওয়া অসম্ভব। সেই জন্য আবির যেন প্রিয়াকে ভূলে যায়। এবং প্রিয়ার বাবাও প্রিয়াকে সব জানিয়ে বলে প্রিয়া যেন আবির কে ভূলে যায়। কিন্তু আবির আর প্রিয়া ওদের দুজনের পক্ষে এটা মেনে নেওয়া অসম্ভব। কারণ ওরা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসে। ওরা একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচতে পারবে না। কিন্তু ওদের বাবারা ওদের দুজনকে দেখা করতে এবং কথা বলতে বারন করে দেন। এমনকি উহারা ওদের উপর নজর রাখতে শুরু করেন। এবং ওদের দুজনের মোবাইল ফোন ওদের বাবারা নিয়ে নেই। এমন অবস্থায় ওদের একজনের সাথে আরেকজন এর দেখা করা বা কথা বলা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। কিন্তু ওরা একজন আরেকজন এর সাথে দেখা না করে, কথা না বলে কিছুতেই থাকতে পারছিল না। তাই ওরা ইউনিভার্সিটিতে এসে নানান ভাবে দেখা করার চেষ্টা করে। ওদের বন্ধুরা ও নানান ভাবে ওদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রিয়ার বাবা সব কিছু বোঝতে পেরে প্রিয়ার ইউনিভার্সিটিতে আসা বন্ধ করে দেয়। তাতে প্রিয়া আর আবির এর যোগাযোগ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ওরা দুজন দুজনের সাথে যোগাযোগ না করে একেবারেই থাকতে পারছে না। ওরা দুজনেই মনে মনে অনেক ভেঙ্গে পড়েছে। তার মধ্যে প্রিয়ার বাবা তার একজন বন্ধুর ছেলের সঙ্গে প্রিয়ার বিয়ে ঠিক করে ফেলেন। এতে প্রিয়া আরো বেশি করে ভেঙ্গে পরে। প্রিয়া কিছুতেই বোঝতে পারছিল না সে কিভাবে আবিরের সাথে যোগাযোগ করবে। কিভাবে আবিরকে সব কিছু জানাবে। প্রিয়া আবির কে ছাড়া অন্য কাউকে তার জীবন সঙ্গী হিসেবে কল্পনাও করতে পারে না।
আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এর আগের ও পরের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে। এবং এরকম আরো পোষ্ট পড়তে চাইলে ঘুরে আসুন আমার ব্লগ swarnaliirinsathi.blogspot.com- এ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন