জানিনা কখন ভালবেসেছি তোকে পর্ব- 2
মেঘার এই গুন দিয়েই খুব সহজেই রাজের কথামত রিয়ার সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলে। তারপর রিয়ার সাথে রাজের আলাপ করিয়ে দেই। ধিরে ধিরে রিয়ার সাথে মেঘা আর রাজের ভাল বন্ধুত্ব তৈরি হয়। তারপর একদিন রাজ মেঘার কথাই রিয়াকে নিজের ভালবাসার কথা বলে। রিয়ার রাজ কে খুব ভাল লাগত। রিয়াও মনে মনে রাজকে ভালবাসত। তাই ও রাজের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাই। এতে রাজ, মেঘা দুজনেই খুব খুশি হয়। কিন্তু মেঘার মনে কেন জানি একটা কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মেঘা কিছুতেই বোঝতে পারছে না কেন ওর মনে এত কষ্ট হচ্ছে। মেঘাতো নিজেই চেয়েছিল রাজের সঙ্গে রিয়ার সম্পর্কটা হোক। আর ওতো নিজেই ওদের সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করেছে। কিন্তু আজ যখন সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে। রিয়া রাজ এর প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। রাজ খুশি হয়েছে। তখন মেঘারও খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু ও খুশি হওয়ার বদলে কষ্ট কেন পাচ্ছে। নিজেকে হাজার বার প্রশ্ন করেও এই প্রশ্নের কোন উত্তর মেঘা খুজে পাচ্ছে না। মেঘার কিছুই ভাল লাগছে না। মনের ভিতরের এই কষ্টটা যেন ওকে ভিতরে ভিতরে শেষ করে দিচ্ছে। খেতে, বসতে, শুতে ঘুমুতে মেঘার যেন কিছুই ভাল লাগছে না। শুধু মনে হচ্ছে ওর সব কিছু যেন হারিয়ে গেছে। যে মেঘা সারাক্ষন বকবক করত সে এখন একদম চুপচাপ হে গেছে। নিজের ঘর থেকে একদম বের হয় না। কারো সঙ্গে বেশি কথা বলে না। মেঘা আগে একদিনও কলেজ কামাই করত না। কিন্তু এখন আর কলেজে যাই না। মেঘার বাবা মাও এটা খেয়াল করছে। তাই উনারা ঠিক করেছেন এবার মেঘার বিয়ে দিয়ে দেবেন।
আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এর আগের ও পরের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে। এবং এরকম আরো পোষ্ট পড়তে চাইলে ঘুরে আসুন আমার ব্লগ swarnaliirinsathi.blogspot.com- এ। অথবা swarnaliirinsathi.wordpress.com-এ
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন