জানিনা কখন ভালবেসেছি তোকে পর্ব-1
রাজ আর মেঘা ছোটবেলা থেকেই খুব ভাল বন্ধু। ওরা ছোট থেকে একসাথে হেসেখেলে বড় হয়েছে। ওরা দুজনেই খুব দুষ্টু। সব সময় একজন আরেকজনের পিছনে লেগে থাকে। ওদের মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া হয়। কিন্তু যতই ঝগড়া হোক না কেন ওরা একজন আরেকজন কে না দেখে বা না কথা বলে একদিনও থাকতে পাড়ে না। রাজ এর যাই হোক না কেন সবার আগে মেঘাকে বলতে হবে। আর মেঘারও যাই হোক সবার আগে রাজ কে বলতে হবে। আর যতক্ষন না বলতে পারে ওদের কিছুই ভাল লাগেনা। ওরা একসাথে এক স্কুলে পড়েছে। কলেজেও এক সাথে একই সাবজেক্ট নিয়ে পড়েছে। এখন ওরা ভার্সিটিতে পড়ে। অনার্স থার্ড ইয়ারে। ওরা দুজনেই ইংলিশে অনার্স করছে। মেঘা পড়াশুনাই খুব ভাল। ও পড়াশুনার বেপারে খুবই সিরিয়াস। আর রাজ ছোট থেকেই পড়াশুনাই একটু ফাঁকিবাজ। মেঘা খুব গোছানো, ও সব কিছু গোছিয়ে সুন্দর করে রাখতে পছন্দ করে। আর রাজ খুবই অগুছালো, ও সবসময় সব কিছু এলোমেলো করে ফেলে রাখে। প্রয়োজনের সময় কোথায় কি রাখে কিছুই খুজে পাওয়া যাই না। আর মেঘাকেই ওকে সামলাতে হয়। ওর সব কিছু গোছিয়ে রাখতে হয়। তার জন্য সব সময় ওকে মেঘার কাছে বকা শুনতে হয়। তার পরেও ওর শিক্ষা হয় না। মেঘা যখন ওকে বকে তখন ও চুপ করে এক কানে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেই। মেঘার এই শাসন করাটা রাজ এর খুব ভালই লাগে। কারন মেঘার মত করে ওকে কেউ শাসন করতে পারে না। কেউ ওকে মেঘার মত করে বোঝেও না। রাজ এর যে কোন প্রয়োজন মেঘাকে বলার আগেই বোঝে যাই। আর মেঘাও মুখে যাই বলোকনা কেন, রাজ এর এই অগুছালো ভাবটাই মেঘার সবথেকে পছন্দের। রাজ এর সব কিছু গোছিয়ে দিতে ওর খুব ভালই লাগে। মেঘা সব সময় বলে যখন ঘরে বউ আসবে তখন দেখব কি করিস। বউ এসেই দেখবি তোকে সোজা করবে। আর রাজ ওর কথা হেসে উড়িয়ে দেই। হঠাৎ ওদের কলেজে রিয়া নামের একটি নতুন মেয়ে ভর্তি হয়। রাজ এর রিয়াকে খুব ভাল লাগে। রাজ প্রথম মেঘাকেই এই কথাটা জানাই। রাজ মেঘাকে বলে রিয়ার সাথে বন্ধুত্ব করতে। তারপর রাজের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিতে। মেঘার একটি খুব ভাল গুন আছে। ও খুব সহজে খুব তারাতারি সবার সঙ্গে মিশে যেতে পাড়ে।
আমার এই পোষ্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এর পরের পর্ব গুলো পড়তে চাইলে। এবং এরকম আরো পোষ্ট পড়তে চাইলে ঘুরে আসুন আমার ব্লগ swarnaliirinsathi.blogspot.com- এ। অথবা swarnaliirinsathi.wordpress.com-এ
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন